RAB 4-এ পেমেন্ট নিয়ে যা জানা দরকার
অনলাইনে টাকা লেনদেন করার সময় সবার আগে মাথায় আসে নিরাপত্তার প্রশ্ন। rab 4-এ এই বিষয়টাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি লেনদেন এনক্রিপ্টেড সংযোগের মাধ্যমে পরিচালিত হয় এবং ব্যবহারকারীর আর্থিক তথ্য কখনো তৃতীয় পক্ষের সাথে শেয়ার করা হয় না।
বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ব্যাপক প্রসারের কারণে rab 4 বিকাশ, নগদ ও রকেটকে প্রাথমিক পেমেন্ট পদ্ধতি হিসেবে রেখেছে। এই তিনটি পদ্ধতিতে ডিপোজিট করলে ব্যালেন্স প্রায় তাৎক্ষণিক যোগ হয় – বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে। রাত হোক বা দিন, সপ্তাহের যেকোনো দিন এই সুবিধা পাওয়া যায়।
বড় পরিমাণের লেনদেনে ব্যাংক ট্রান্সফার কেন ভালো?
যারা একসাথে বড় পরিমাণ ডিপোজিট করতে চান বা বড় জয়ের পর উইথড্র করতে চান, তাদের জন্য ব্যাংক ট্রান্সফার সবচেয়ে উপযুক্ত। মোবাইল ব্যাংকিংয়ে প্রতিদিনের লিমিট থাকায় বড় লেনদেন কখনো কখনো কয়েক ভাগে করতে হয়। ব্যাংক ট্রান্সফারে এই সমস্যা নেই – এক লেনদেনেই পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত পাঠানো বা তোলা যায়।
ব্যাংক ট্রান্সফারে সময় একটু বেশি লাগলেও rab 4-এর সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে পেমেন্ট শনাক্ত করে দ্রুত প্রক্রিয়া করে। সাধারণ ব্যাংকিং ঘণ্টায় (সকাল ৯টা – বিকাল ৫টা) লেনদেন করলে সময় কম লাগে।
ডিপোজিটে কোনো ফি লাগে কি?
rab 4-এ ডিপোজিটে কোনো চার্জ নেই। আপনি যত টাকা পাঠাবেন, পুরোটাই আপনার অ্যাকাউন্টে যোগ হবে। তবে মোবাইল ব্যাংকিং অপারেটর নিজেরা কোনো ট্রানজেকশন ফি নেয় কিনা সেটা তাদের নিজস্ব নীতির উপর নির্ভর করে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মার্চেন্ট পেমেন্টে কোনো চার্জ থাকে না।
উইথড্রের ক্ষেত্রেও সাধারণ সদস্যদের জন্য কোনো ফি নেই। ভিআইপি সদস্যরা অতিরিক্ত সুবিধা হিসেবে সব পরিস্থিতিতে ফি ছাড়া উইথড্র করতে পারেন।